ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ৩৯ দিন ধরে যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন চালাচ্ছে। তাদের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ, ঐতিহাসিক স্থাপনা- কিছুই। যুদ্ধের অংশ না হলেও শিশু, নারী, বৃদ্ধদের গণহারে হত্যা করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। এবার তাদের হামলার শিকার হয়েছে একটি সিনাগগ বা ইহুদিদের উপাসনালয়।
ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জানিয়েছে, হামলায় তেহরানের একটি সিনাগগ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের তেহরানে একটি সিনাগগ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির মেহর সংবাদ সংস্থা এবং শার্ঘ পত্রিকা।
শার্ঘ জানায়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাফি-নিয়া সিনাগগ আজ সকালের হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইহুদিধর্ম ইরানে আইনত স্বীকৃত সংখ্যালঘু ধর্মগুলোর একটি এবং দেশটিতে একটি ছোট ইহুদি সম্প্রদায় এখনও রয়েছে, যদিও ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেকেই দেশ ছেড়ে চলে যায়।
সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ না হলেও ধারণা করা হয়, ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন।
স্থানীয়দের ধারণা, মসজিদ মনে করে সিনাগগটিকে টার্গেট করে থাকতে পারে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।
শার্ঘ পত্রিকা সিনাগগটিকে ‘খোরাসান অঞ্চলের ইহুদিদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ও উৎসবের স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রদেশ।
ইরানে শিয়া ইসলাম প্রধান ধর্ম হলেও সংবিধানে সুন্নি ইসলাম, জরথুস্ত্রবাদ, ইহুদিধর্ম ও খ্রিস্টধর্মকে সংখ্যালঘু ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং সব সম্প্রদায়ের সংসদে প্রতিনিধিত্ব আছে।


